গ্রিস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

(গ্রীস থেকে ঘুরে এসেছে)
Ελληνική Δημοκρατία
এলিনিকি দ়িমোক্রাতিয়া

হেলেনিক প্রজাতন্ত্র
গ্রীস এর জাতীয় পতাকা গ্রীস এর
গ্রীস-এর জাতীয় পতাকা গ্রীস-এর জাতীয় প্রতীক
নীতি বাক্য: Ελευθερία ή Θάνατος
মুক্তি অথবা মৃত্যু
জাতীয় সঙ্গীত: হাইম টু ফ্রিডম
মুক্তির জন্য প্রার্থনা
গ্রীস-এর অবস্থান
রাজধানী এথেন্স
বড় শহর এথেন্স
রাষ্ট্রভাষা {{{রাষ্ট্রভাষা}}}
সরকার
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রী
প্রজাতন্ত্র
কার্লস প্যাপুলিয়াস
কোস্টাস কারম্যানলিস
স্বাধীনতা
অটোম্যান সাম্রাজ্য হতে স্বাধীন
ঘোষণা
অনুমোদন


মার্চ ২৫, ১৮২১
১৮২৯
ভূখন্ড
- মোট

- পানি (%)

১৩১,৯৪৫বর্গকিলোমিটার;(৭০ তম)
৫০,৯৪৪বর্গমাইল
০.৮৬৬৯
জনসংখ্যা
- ২০০৯ হিসাবে
- জনসংখ্যার ঘনত্ত্ব

১১,২৬০,৪০২ [১] (৭৩ তম)


৮৫.৩/বর্গকিলোমিটার; (৮৮ তম)
২২১.০/বর্গমাইল

জিডিপি (পিপিপি)
- মোট
- প্রতি এককে
২০০৯
$৩৪৪,৪০৪ বিলিয়ন [২] (৩৭তম)
$২২,৮০০ (৩০ তম)
মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৭) ০.৯৪২[৩] (২৫তম) – high
মুদ্রা ইউরো(€)2 (ইইউআর)
সময় স্থান ইইটি (ইউটিসি+২)
ইন্টারনেট ডোমেইন .জিআর
দেশের কোড +৩০
জাতীয়তা



গ্রীস (গ্রিক ভাষায়: Ελλάδα এলাদ়া বা Ελλάς এলাস্‌) ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের একটি রাষ্ট্র যা বলকান উপদ্বীপের একেবারে দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। এর সীমান্তবর্তী রাষ্ট্রগুলো হচ্ছে উত্তরে বুলগেরিয়া, প্রাক্তন যুগশ্লাভিয়া প্রজাতন্ত্রী মেসিডোনিয়া এবং আলবেনিয়া; পূর্বে তুরস্ক। গ্রীসের মূল ভূমির পূর্বে ও দক্ষিণে এজিয়ান সাগর অবস্থিত, আর পশ্চিমে রয়েছে আইওনিয়ান সাগর। পূর্ব ভূমধ্যসাগরের উভয় অংশে গ্রীসের অনেকগুলো দ্বীপ রয়েছে। গ্রীস ইউরোপ. এশিয়া এবং আফ্রিকার মিলন স্থলে অবস্থিত। বর্তমান গ্রীকদের পূর্বপুরুষ হচ্ছে এক সময়ের পৃথিবী বিজয়ী প্রাচীন গ্রীক সভ্যতা, বাইজান্টাইন সম্রাজ্য এবং প্রায় ৪ শতাব্দীর অটোমান সম্রাজ্য। এই দেশ পশ্চিমা বিশ্বের জ্ঞান বিজ্ঞানের সূতিকাগার এবং গণতন্ত্রের জন্মদায়ক স্থান হিসেবে সুপরিচিত। গ্রীসের আরও কিছু বৃহৎ অবদান হচ্ছে পশ্চিমা দর্শন, অলিম্পিক গেম্‌স, পশ্চিমা সাহিত্য, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার এবং নাটক। সব মিলিয়ে গ্রীসের সভ্যতা সমগ্র ইউরোপে এক সময়ের সবচেয়ে প্রভাবশালী সভ্যতা হিসেবে পরিগণিত হত। বর্তমানে গ্রীস একটি উন্নত দেশ এবং ১৯৮১ সাল থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য।[৪]। এছাড়া এটি ২০০১ সন থেকে ইকোনমিক অ্যান্ড মনিটারি ইউনিয়ন অফ দ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৯৫১ সাল থেকে ন্যাটো এবং ১৯৬০ সাল থেকে ওইসিডি-এর সদস্য হিসেবে আছে।

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] ইতিহাস

মূল নিবন্ধ : গ্রীসের ইতিহাস

[সম্পাদনা] প্রাচীন কাল

মূল নিবন্ধ : প্রাচীন গ্রীস

এজিয়ান সাগরের তীরে সুপ্রাচীন কালে ইউরোপের প্রথম উন্নত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, বর্তমান আধুনিক ইউরোপকে এর ফসল বললে অত্যুক্তি হবে না। Minoan এবং Mycenean সভ্যতার উত্থানের ফলে গ্রীসের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বতন্ত্র জেলা এবং সরকার ও সমাজ কাঠামো বিশিষ্ট রাজ্যের সৃষ্টি হয়। এই রাজ্যগুলো স্পার্টা এবং এথেন্সের অধীনে একত্রিত হয়ে পার্সিয়ানদের অগ্রযাত্রাকে প্রতিহত করেছিল। এথেন্সে গ্রীসের প্রথম সমৃদ্ধ সভ্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু পরবর্তীতে এথেন্স ও স্পার্টার মধ্যে সংঘাতের সৃষ্টি হয় যার পরিণতি পেলোপোনেশীয় যুদ্ধ। এ সময় পার্সিয়ানদের হাতে স্পার্টার পতন হয়। এর পর মাত্র এক শতাব্দীর মধ্যে সকল গ্রীকরা আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের নেতৃত্বে একত্রিত হয়ে পার্সীয়দের প্রতিহত করে। ১৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এখানে রোমান সম্রাজ্যের সূচনা হয়।

[সম্পাদনা] রোমান যুগ

মূল নিবন্ধ : রোমান গ্রীস

রোমান যুগের সূচনায় হেলেনীয় সমাজ ও সংস্কৃতির কোন পরিবর্তন না হলেও এর ফলে আবশ্যিকভাবেই গ্রীস তার রাজনৈতাক স্বাধীনতা হারায়। খ্রিস্ট ধর্ম বিকাশের পূর্ব পর্যন্ত এখানে হেলেনীয় সংস্কৃতি টিকে ছিল। গ্রীস রোমের একটি প্রদেশে পরিণত হয় এবং তখনও গ্রীস প্রবল প্রতাপে পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের সংস্কৃতিকে প্রভাবান্বিত করে চলে। এরপর রোমান সম্রাজ্য দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়; একভাগের নাম পূর্ব রোমান সম্রাজ্য যা গ্রীকদের সম্রাজ্য নামে প্রতিষ্ঠা পায় এবং পরবর্তীতে বাইজান্টাইন সম্রাজ্য নাম ধারণ করে। অন্য অংশ ছিল কনস্টান্টিনোপ্‌ল কেন্দ্রিক যার নাম ছিল বাইজান্টিয়াম। বাইজান্টাইন রাজত্বের সময় গ্রীক আগ্রাসী সকল শক্তির মধ্যে হেলেনীয় ভাবধারার প্রভাব সৃষ্টিতে সমর্থ হয় এবং এ সময়েই সিসিলিএশিয়া মাইনর থেকে অনেকে গ্রীসে বসতি স্থাপন করে। একাদশ ও দ্বাদশ শতাব্দীকে গ্রীসে বাইজান্টাইন শিল্পকলার স্বর্ণযুগ বলা হয়। তবে ১২০৪ থেকে ১৪৫৮ সালের মধ্যে সংঘটিত ক্রুসেডের সময় ধর্মের নামে প্রতিষ্ঠিত কিছু সেনাদল দ্বারা গ্রীস আক্রান্ত হয়। ১৪৫৩ সালের ২৯ মে তারিখে কনস্টান্টিনোপ্‌লের পতনের পূর্ব পর্যন্ত এখানে বাইজান্টাইন সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত ছিল।

[সম্পাদনা] রাজনীতি

[সম্পাদনা] প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ

প্রশাসনিকভাবে গ্রীসে মোট ১৩ টি প্রশাসনিক অঞ্চল রয়েছে। এরা আবার সর্বমোট ৫৪ টি প্রিফেকচারে বিভক্ত।

Map সংখ্যা] প্রশাসনিক অঞ্চল রাজধানী আয়তন (বর্গ কি.মি.) জনসংখ্যা
মানচিত্রে গ্রীসের প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ
Attica এথেন্স ৩,৮০৮ ৩,৭৬১,৮১০
কেন্দ্রীয় গ্রীস Livadia ১৫,৫৪৯ ৬০৫,৩২৯
কেন্দ্রীয় মেসিডোনিয়া Thessaloniki ১৮,৮১১ ১,৮৭১,৯৫২
Crete Iraklio ৬,৩৩৬ ৬০১,১৩১
East Macedonia and Thrace Komotini ১৪,১৫৭ ৬১১,০৬৭
Epirus Ioannina ৯,২০৩ ৩৫৩,৮২০
আইওনীয় দ্বীপপুঞ্জ Cofu ২,৩০৭ ২১২,৯৮৪
উত্তর এজিয়ান Mytilene ৩,৮৩৬ ২০৬,১২১
Peloponnese Tripoli ১৫,৪৯০ ৬৩৮,৯৪২
১০ দক্ষিণ এজিয়ান Ermoupoli ৫,২৮৬ ৩০২,৬৮৬
১১ Thessaly Larissa ১৪.০৩৭ ৭৫৩,৮৮৮
১২ পশ্চিম গ্রীস Patras ১১,৩৫০ ৭৪০,৫০৬
১৩ পশ্চিম মেসিডোনিয়া Kozani ৯,৪৫১ ৩০১,৫২২
- Mount Athos (Autonomous) Karyes ৩৯০ ২,২৬২


[সম্পাদনা] ভূগোল

[সম্পাদনা] অর্থনীতি

[সম্পাদনা] জনসংখ্যা

[সম্পাদনা] সংস্কৃতি

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. Total populationEurostat (2009-01-01)। 2009-08-02 তারিখে সংগৃহীত।
  2. s=NGDPD%2CNGDPDPC%2CPPPGDP%2CPPPPC%2CLP&grp=0&a=&pr.x=44&pr.y=6 GreeceInternational Monetary Fund। 2009-10-01 তারিখে সংগৃহীত।
  3. Human Development Report 2009. The United Nations. Retrieved 12 October 2009.
  4. Member States of the EU: GreeceEuropean Unioneuropa.eu। 2007-04-07 তারিখে সংগৃহীত।

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ


এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করতে পারেন

অন্যান্য ভাষাসমূহ
 Web-Blaster V2.21 Webblaster-Feld schließen
Die angezeigte Seite wurde durch den Web-Blaster geleitet und dadurch mit der Datenbank des Assoziations-Blasters verknüpft.

Der Web-Blaster ist ein alternativer Browser, der beliebige Webseiten mit Links anreichert. Der gesamte Vorgang geschieht in Echtzeit mit den Original-Daten, es werden keine fremden Daten auf dem Blaster-Server zwischengespeichert.

Um diesen Modus zu verlassen und normal weiter zu browsen, muss der Web-Blaster abgeschaltet werden.

Webblaster abschalten